বিশৃঙ্খলার পথে বাংলাদেশ

যারা দেশের মাত্র ৯০ হাজার ডাক্তারের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা নিশ্চিত করতে পারে নাই, আপনারা আশায় আছে্ন তাঁরা ১৬ কোটি মানুষের নিরাপত্তা নিয়া চিন্তিত?

এরা নিজেদের ব্যার্থতা আড়াল করতে আমাদের মধ্যে দেয়াল তুলে দিয়েছে।

আপনি প্রশ্ন করতেছেন,আংগুল তুলতেছেন কেন প্রবাসীরা দেশে আসলো,কেনো প্রবাসীরা কোয়ারেন্টাইনে থাকতেছে না?

অথচ আপনার প্রশ্ন করবার দরকার ছিলো,
কেন সরকার সময় পাওয়ার পরেও বিমানবন্দর লক ডাউন করে নাই।
কেন সময় পাওয়ার পরেও বিমানবন্দর গুলোতে থার্মাল চেকাপ বাড়ানো হয় নাই।কেন কোয়ারেন্টাইন গুলোকে আগে থেকে সেনাবাহিনীর আওতায় নিয়ে আসা হয় নাই?

আপনি প্রশ্ন করতেছেন,
কেন দেশের ডাক্তাররা হাসপাতালের বাইরে “জ্বর,সর্দী,কাশির রোগী দেখা হয় না” বোর্ড ঝুলিয়ে দিচ্ছে?
অথচ আপনার প্রশ্ন করবার দরকার ছিলো,
কেনো হাতে পর্যাপ্ত সময় পেয়েও সরকার ডাক্তারদের নিরাপত্তার জন্য পিপিই,গ্লাভস,মাস্ক রেডি করে নাই?

প্রশ্ন গুলো করুন। ফেসবুকের পোস্ট গুলোর প্রাইভেসি অনলি ফ্রেন্ড থেকে পাবলিক করে করুন।
আর কত ভয় পাইবেন?
গুম কইরা নিবে? ক্রসফায়ারে দিয়া দিবে?

এই দেশে জন্ম নিয়া যেহেতু পাপ করছেন, তাই করোনায় বেঁচে গেলে, ডেঙ্গুতে মরবেন।ডেঙ্গু জ্বরে না মরলে, বন্যায় মরবেন। বন্যায় বেঁচে গেলেও সড়ক দুর্ঘটনায় মরবেন। দুর্ঘটনায় না মরলেও ভেজাল খাদ্য খেয়ে মরবেন। সবকিছুতে বেঁচে গেলেও একদিন আপনাকে বিনা কারণে গণপিটুনি খেয়ে মরতে হবে। আগুনে পুড়ে মরতে পারেন, প্রকাশ্যে দিবালোকে কোপ খেয়েও মরতে পারেন। মায়ের গর্ভে থেকেও গুলি খেয়ে মরতে পারেন, তা না হলে নৃশংস ধর্ষণের শিকার হয়ে মরতে পারেন। যে দেশে মৃত্যুর সকল পথ খোলা আছে সেই দেশে আপনি আর আমি যে এখনো বেঁচে আছি সেটাই তো বিশাল বড় ব্রেকিং নিউজ।

Related posts

Leave a Comment